সোলার ফটোভোল্টাইক: সূর্যের আলো থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ
সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সবচেয়ে সরলতম প্রযুক্তি হলো ‘সোলার ফটোভোল্টাইক’। এই প্রযুক্তিতে কোনো ঘূর্ণায়মান অংশ নেই। জ্বালানির উৎস সূর্যের আলো থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ক্যালকুলেটর থেকে শুরু করে বড় বড় ইউটিলিটি-স্কেল সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র—সবক্ষেত্রেই এর জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।
১. সৌর শক্তির উৎপাদন ক্ষমতা
ব্যবহারিক দিক থেকে সারা দিনে প্রতি বর্গমিটারে সৌর শক্তির প্রাপ্ততা ৩.৯৬ থেকে ৪.২ কিলোওয়াট আওয়ার। একটি ১ কিলোওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বছরে প্রায় ১৩১৪ থেকে ১৪০২ কিলোওয়াট আওয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদন হতে পারে।
২. সরকারি পরিকাঠামো ও সংস্থা
দেশে সৌর বিদ্যুতের প্রসারে কেন্দ্রীয় সরকারের নবী এবং নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রক (MNRE) কাজ করছে। পশ্চিমবঙ্গে এর স্টেট নোডাল এজেন্সি হলো ওয়েস্ট বেঙ্গল রিনিউয়েবল এনার্জি ডেভলপমেন্ট এজেন্সি (WBREDA)।
৩. পশ্চিমবঙ্গের সৌর সম্ভাবনা
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সোলার এনার্জি (NISE)-র তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের আনুমানিক সৌর শক্তির ক্ষমতা ৬.২৬ গিগাওয়াট। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ উইন্ড এনার্জির রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যের GHI (গ্লোবাল হরাইজন্টাল ইরেডিয়েন্স) ১৬৫ থেকে ১৭৮ ওয়াট প্রতি বর্গমিটার।
৪. মাঝারি মানের প্রাপ্তি ও কার্যকারিতা
পশ্চিমবঙ্গের সৌর শক্তির প্রাপ্তি সারাদেশের তুলনায় মাঝারি মানের। এখানে বছরে গড় সৌর শক্তির ব্যবহারযোগ্যতা অর্থাৎ ক্যাপাসিটি ইউটিলাইজেনশন ফ্যাক্টর ১৫ থেকে ১৭% এর মধ্যে রয়েছে।
No comments:
Post a Comment