২০২৬-এর নতুন সকাল: উৎসবের আলো আর লড়াইয়ের অন্ধকার
নতুন বছরের সকাল। ঠান্ডা আছে। কুয়াশা থাকলেও রোদ্দুরকে আটকাতে পারেনি। উত্তরের হাওয়ার দাপট নেই। শিশিরে ভেজা গাছের পাতাগুলো এখনও শুকোয়নি। রাস্তায় ভিড়, বাজারের বেচাকেনা - সবই আর পাঁচটা দিনের মতো। দূর থেকে ভেসে আসে গান। গত রাতের নববর্ষ-বরণের রেশ এখনও কাটেনি। চায়ের দোকান ঠিক সময়েই খুলেছে।
১. কৃত্রিম বুদ্ধি বনাম মানুষের পেট
অনেক কিছুই চোখে পড়ে না। মাথাপিছু দিনে দু’বেলা ২০০ গ্রাম চালের ভাত জোগাড় করতে যে খেটেখাওয়া মানুষ লড়ছে, তার মনের ভেতরের অবস্থার হিসাব কে রাখে? এ আই আছে, পিসি আছে। কৃত্রিম বুদ্ধি বলে, বিজনেস ডিস্ট্রিক্টের জায়গায় মন্দির হবে! সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
২. পুরোনো আতঙ্কের নতুন বছর
ফরিদাবাদে চলন্ত গাড়িতে বা রানাঘাটের হোমে পৈশাচিক ঘটনা; ঋণের দায়ে জলধর বাগের মত কৃষকদের ভয়ঙ্কর পরিণতি; আসামে রোস্টেড বিরোওয়া দম্পতি- নতুন বছরেও পুরোনো আতঙ্কই ফেরে।
৩. প্রতিরোধের সুর
মনে পড়ে Old Man River-এর গান; he just keeps rolling along… কিন্তু মনে হয়, ‘হি’ নয়; they just keep rolling, unitedly! শীতের মৃদু হাওয়ার সঙ্গে ভেসে আসে খবর, ধর্মঘটে গিগ কর্মীরা। চাপে পড়ে ঘোষণা হয় ‘বাড়তি ভাতা’।
৪. শৃঙ্খল ভাঙার ডাক
বিশাখাপত্তনম থেকে আসে শাশ্বত বার্তা, শ্রমজীবীদের ওপর আক্রমণ রুখতে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই হবে। কমিউনিস্ট ইস্তেহারের সেই ঐতিহাসিক ঘোষণা - শ্রমিক শ্রেণীর শৃঙ্খল ছাড়া হারাবার কিছু নেই।
No comments:
Post a Comment