(১)
পাঞ্জাব থেকে ফোন এবং প্রশ্ন। তুম লোগ আজ গাও সোনার বাংলা ..., ম্যায় ইধর পাঞ্জাব মে বেটা হুঁ, কেয়া গাও ম্যায়?
আমি একটু অবাক হয়েছি। ব্যাটা খবরও রাখে। বললাম, ইউ ক্যান অলসো সিং সোনার বাংলা ...... রবীন্দ্রনাথ টেগোর ......।
ও একটু চুপ করে থেকে বলে, আজ ম্যায় ইকবাল কা হি গীত গাউঙা। লেকিন ইয়ে দেশ ....... ইয়ে দেশ মেরা ভি হ্যায়, ইয়ে দেশ ভি গা সকতা হুঁ।
(২)
আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইউ নো, সোনার বাংলা?
ওর হাসি। বলল, কিউ নেহি! তুম বোলো ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।’
হাম বোলেঙ্গে, হাম বুলবুলে হ্যায় ইঁসকি, ইয়ে গুলসিঁতাঁ হামারা। হাম লগ ইস মুল্ক কে পাখি হ্যায়, ইয়ে বাগ হামারা।
একটু থেমে আমি বললাম, একই তো কথা, তাইনা?
বন্ধু হাসল। ‘তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।’ আউর - ‘গুরবত মে হোঁও আগর হাম, রহতা হ্যায় দিল বতন মে।’ কোই ফারাক হ্যায়?
আমি বললাম, ইউ আর রাইট ; শহি বাত।
(৩)
ওপাশে একটু নীরবতা। তারপর ওর কণ্ঠ মোলায়েম, ' আপনার নদী, মাঠ, ধান ...... বাহুত সুন্দর। আমার পাঞ্জাব মে তো গুলাব, শমশাদ, চাঁদনী রাত। লেকিন মেহবত, স্নেহ .... এক হ্যায়।
আমি চুপ করে থাকলাম। মনে হলো, সারে জাহাঁ সে আচ্ছা আর আমার সোনার বাংলা দুটো গান মিলে যাচ্ছে এক সুরে, ইয়ে গুলসিঁতাঁ হামারা।
(৪)
ফোন কেটে গেছে। আমি ভ্যাবলার মতো বসে শুনতে পাচ্ছি দুটি গান, যেখানে মিলেমিশে আছে বাংলা মাটি আর পাঞ্জাবের ফসলের গন্ধ।
No comments:
Post a Comment