কেপলারের পর্যবেক্ষণভিত্তিক গ্রহগতির সূত্র
কেপলার যখন সূর্যের চারপাশে গ্রহগুলির গতি, কক্ষপথ এবং কক্ষপথের সময় নির্ধারণ করেছিলেন, তখন মহাকর্ষীয় বলের কোনও ধারণা ছিল না। কেপলারের সূত্রগুলি ছিল সম্পূর্ণ পর্যবেক্ষণভিত্তিক — অর্থাৎ দীর্ঘ সময় ধরে আকাশ পর্যবেক্ষণ করে তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন।
ছবিঃ হাবল টেলিস্কোপের চোখে সৃষ্টির স্তম্ভ বা Pillars of Creation
Image Credit: NASA, ESA, and the Hubble Heritage Team
এই সূত্রগুলি বলে দেয়, গ্রহগুলি কীভাবে সূর্যের চারপাশে ঘোরে, কিন্তু কেন ঘোরে — সেই ব্যাখ্যা তখনও অনুপস্থিত ছিল।
নিউটনের মহাকর্ষীয় তত্ত্ব: গাণিতিক ব্যাখ্যা
কেপলারের অনেক পরে, গ্রহদের গতি এবং গতিপথ বিষয়ে আইজ্যাক নিউটন গাণিতিক ও তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেন। নিউটনের মহাকর্ষীয় তত্ত্ব অনুযায়ী, মহাকর্ষীয় বল দুটি বস্তুর মধ্যে দূরত্ব এবং বস্তুর ভরের উপর নির্ভরশীল। তবে মহাশূন্যে মহাকর্ষীয় টান কীভাবে কাজ করে, তার কোনও ব্যাখ্যা তখনও ছিল না।
আইনস্টাইনের স্পেস-টাইম: মহাকর্ষের নতুন ব্যাখ্যা
নিউটনের মহাকর্ষীয় তত্ত্বের অনেক পর, আলবার্ট আইনস্টাইন নতুন তত্ত্ব দিয়ে বলেন, মহাকর্ষ আসলে স্পেস-টাইমের বিকৃতি। ভারী বস্তুর চারপাশে স্পেস-টাইম বিকৃত হয়, এবং এই বিকৃত স্পেস-টাইমের মধ্য দিয়ে অন্য বস্তু চললে তার গতিপথ পরিবর্তিত হয়।
কেপলারের জন্মের সাড়ে চারশো বছর পর আজও স্যাটেলাইটের কক্ষপথ এবং গতির বিশ্লেষণ করা হয় তাঁর সূত্রগুলির উপর ভিত্তি করেই।
গ্রহের কক্ষপথ স্থির, চিন্তার জগৎ পরিবর্তনশীল
সূর্যের চারপাশে গ্রহদের আবর্তনে কোনও পরিবর্তন হয়নি, কিন্তু চিন্তার জগতে পরিবর্তন হয়েছে। চিন্তার জগতে যে ক্রমাগত পরিবর্তন হয় তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন আরেক সমাজবিজ্ঞানী, কার্ল মার্ক্স। বিকাশের ভিত্তিতে চিন্তার পরিবর্তন ঘটে।
বিজ্ঞানের আরও কিছু অবাক করা তথ্য জানতে পড়ুন:
excellent
ReplyDelete